জিপিতে ব্যালেন্স ট্রান্সফার এই সার্ভিসটি
ব্যবহার করতে হলে আপনাকে প্রথমে
Grameenphone এর
Balance Transfer Service
এ রেজিস্ট্রেশন করতে হবে।
১. কিভাবে রেজিষ্ট্রেশন
করবেন প্রথমে আপনার মোবাইল এর
মেসেজ অপশনে গিয়ে REG টাইপ
করে তা 1000 পাঠিয়ে দিন। একটু ধৈর্য্য
ধরুন। এবার আপনি একটি Balance Transfer এর
PIN Code (পাসওয়ার্ড) কনফারমেশন
মেসেজ পাবেন।
২. কিভাবে Balance
Transfer করবেন আপনার মোবাইলের
Massage Option এ গিয়ে Type করুন BTR PIN Code
Mobile No Amount তারপর Send করুন 1000
নাম্বারে। BTR PIN Mobile No Amount
তারপর Send করুন 1000 নাম্বারে।
উদাহারনঃBTR 123 0170000000020 তারপর Send
করুন 1000 নাম্বারে।
বি: দ্র: খেয়াল
রাখবেন আপনার এই পিন কোডটি যেন অন্য কেউ
না জানে।
জানলে সে আপনার অজান্তে আপনার
একউন্ট হতে টাকা সরিয়ে নিতে পারবে।
তাই সকলের প্রয়োজন কিছুদিন পরপর
এটি পরিবর্তন করা। নিচে পিন কোড
পরিবর্তনের নিয়ম দেয়া হল।
Process of PIN Code Change
Type CPIN (space) OLDPIN (space) NEWPIN (space)
NEWPIN. Send 1000
কাজ শেষ।
বুধবার, ১৭ মে, ২০১৭
এবার GP Sim এ Balance Transfer করুন সহজ নিয়মে 100% Working
ফেসবুক পেইজ ভেরিফাই কি? কেনো করবেন ভেরিফাই?
আসসালামুআলাইকুম,
, আশা করি সবাই ভালো আছেন। আজ আমি বিশ্লেষন করার চেষ্টা করবো ফেসবুক পেইজ ভেরিফাই সম্বন্ধে।
ফেসবুক পেইজ ভেরিফাই বলতে আমরা সাধারণত বুঝি পেইজের নামের ডান পাশে নীল টিক মার্ক দেওয়া।
হ্যা,কোনো পেইজে এরকম থাকলেই বুঝতে হবে এটা ভেরিফাই করা পেইজ। কিন্তু এর পেছনেও আমাদের অনেককিছু অজানা বিষয় রয়েছে।
ভেরিফাই কী?
ভেরিফাই বলতে সাধারণ ভাষায় বলা যায় “প্রমান করা”।
আপনার পেইজটি যে আসল এবং পেইজটি সামাজিক যোগাযোগ, ব্যবসায়িক ও আর্থিক ব্যবস্থাপনায় ভুমিকা রাখবে, এরূপ তথ্য ফেসবুক কর্তৃপক্ষের কাছে প্রমান করাকেই “ভেরিফাই” বলে।
ভেরিফাই কেনো করতে হয়?
আপনার পেইজটি যদি ভেরিফাই করেন তাহলে ফেসবুক কার্যালয় থেকে বিভিন্ন প্রকার সহযোগিতা পাবেন। ফেসবুক অফিসে আপনার পেইজটি তাদের একটি সম্পদ হয়ে দাঁড়াবে ; যা নষ্ট করার আগে তারা বেশ কয়েকবার ভাববে।
তাছাড়া পেইজ জনপ্রিয় হওয়ার প্রথম উপায়ই হচ্ছে পেইজটা ভেরিফাই করা। বাংলাদেশে খুব কম সংখ্যক পেইজই আছে ভেরিফাই করা। তাই আপনার পেইজটি ভেরিফাই করলে সেটি বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশে বেশ মূল্যায়ন পাবে।
কিভাবে করতে হয় পেইজ ভেরিফাই?
“বাংলাদেশে খুব কম সংখ্যক পেইজই আছে, যেগুলো ভেরিফাই করা” এই কথাটা দ্বারাই বুঝা যায় ফেসবুক ভেরিফাই করা কোনো সাধারণ কাজ নয়। এটি করতে অনেক খরচ প্রয়োজন।
তবে আমি বলবো এটি সহজই। মানুষের জানার অভাবে বাংলাদেশে ভেরিফাই পেইজের অভাব। পেইজের পুরো তথ্য এবং ভেরিফাইয়ের সম্পূর্ণ ইনফরমেশন সঠিকভাবে পূরন করতে পারলে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ আপনার পেইজ ভেরিফাই করে দিতে বাধ্য।
যাইহোক,ভেরিফাই সম্বন্ধে আজ সামান্য একটু ধারণা দেওয়ার চেষ্টা করলাম। পরবর্তী কোনো পোষ্টে ভেরিফাই করার পদ্ধতি তুলে ধরার চেষ্টা করবো ইনশাল্লাহ।
দেখে নিন কিভাবে আপনার সাইটের পোস্ট অন্যদের কপি করার হাত থেকে রক্ষা করবেন।
আশা করি সবাই ভালো আছেন।।
আজ দেখাব কিভাবে আপনার সাইটের পোস্ট অন্যদের কপি করার হাত থেকে রক্ষা করবেন।
দেখা যাই আপনি খুব কষ্ট করে আপনার সাইটে একটা পোস্ট করলেন আর ভাবলেন এটা গুগলে সবার আগে থাকবে তাহলে মেলা ভিজিটর তো পাবোই আবার ইনকাম টাও বেশ ভালো হবে। (ভিজিটর হলেই তো ইনকাম)
কিন্তু দেখা যাই এক প্রকার কপিবাজ যে আপনার কষ্ট করে লেখা পোষ্টি কপি তো করেই আবার Google webmaster tools এ গিয়ে সাবমিট করে সে গুগলে আপনার আগে এসে হাজির।
যেহেতু সে চালাকি করে আগে আসে সেহেতু গুগল আপনায় পরে দেখে আপনাকেই কপিরাইট ধরে রেন্ক কমাই দেই।
এ থেকে রক্ষার জন্য প্রথমে আপনার সাইটের প্লাগিন ষ্টোরে গিয়ে
Plugin: Wp copyprotect
ইন্সটল করে নিচের ভিডিওটি দেখে setting করেই দেখুন এবার কি মজা বাদে।
কপি তো করতেই পারবে না আবার লেখা উঠবে “””””বেটা চোর””””
Plugin Settings Video So Click for
how to protect wordpress forum site post copy paste
লিংক: https://m.youtube.com/watch?v=YObk9_V-Fbo
আপনার চ্যানেল কি সার্চ দিলে সবার পরে আসে ?
Youtube channel Seo – Youtube Bangla Tutorial
Youtube Channel SEO নাম দিয়েছি কারণ আজ আমরা আপনার চ্যানেল নাম কেউ সার্চ দিলে কীভাবে সবার প্রথম এ পাবে তা নিয়ে আলোচনা করব। এরপর আপনি কি নিয়ে কাজ করেন তা ইউটিউব কে কীভাবে জানাবেন সহজে তা নিয়ে আলচনা করব। Channel Keywords নিয়ে আলোচনা করব। সাথেই থাকুন আশাকরি অনেক কিছুই জানতে পারবেন।
প্রথমে আপনি আপনার চ্যানেল নেইম লিখে ইউটিউব এ সার্চ দিন। দেখুন প্রথমে আসে কিনা। আসলে ত ভালোই না আসলে কি করবেন। মনে করুন আমি ইউটিউব এ আমার নাম লিখে সার্চ দিলাম Azizur RAhman Asif. আমার নাম প্রথমে আসবে। কীভাবে আসে এটাই মূল বিষয় যা আমরা শিখব।
আমার নাম প্রথমে আসার দুইটি কারণ।
আমার নাম ইউনিক। অন্য কেউ নেই।
আমি আমার নাম চ্যানেল ডেস্ক্রিপশন এ খুব সুন্দর করে উল্লেখ করেছি তাও একেবারে প্রথমে।
আসুন প্রথমে আমরা ১ নাম্বার ইউনিক নিয়ে আলোচনা করি।
আপনার নাম যদি কমন হয়। আপনার নামে যদি হাজার হাজার চ্যানেল থাকে ভিডিও থাকে তাহলে কখনোই আপনি টপ এ আসবেন না। কি করতে হবে। চ্যানেল নাম অবশ্যই ইউনিক হতে হবে।
এবার আসুন ২ নাম্বার এ –
আপনার নাম ইউনিক তাও সার্চ দিলে আপনার নাম সবার প্রথমে আসে না। কেন আসে না ? কারণ আপনার চ্যানেল এর যে About আছে সেখানে আপনি ভাল ভাবে লিখতে পারেন নি। আপনার চ্যানেল এর About এ আপনাকে খুব ভালো করে আপনার চ্যানেল কে তুলে ধরতে হবে। যাতে করে ইউটিউব সহজেই বুঝে আপনার চ্যানেল টি আসলে কি নিয়ে। এরপর আপনি যখন চ্যানেল এর এবাউট লিখবেন তখন অবশ্যই লক্ষ্য রাখতে হবে আপনার চ্যানেল নাম টা যাতে আপনার এবাউট এ থাকে। যদি থাকে তাহলে আপনার চ্যানেল সবার প্রথমেই আসবে।
চ্যানেল এবাউট এ আপনার নাম কিভাবে দিবেন ?
আপনি যখন আপনার চ্যানেল এবাউট লিখবেন তখন এই লিখার মধ্যই আপনার চ্যানেল নাম তুলে ধরতে হবে। যেমন ধরুন আপনারা যদি আমার চ্যানেল এবাউত দেখেন বুঝবেন। আমার চ্যানেল এবাইউট আমি নিচে তুলে ধরলাম দেখে নিন –
THIS IS AZIZUR RAHMAN ASIF. A VERY WARM WELCOME TO ALL OF YOU ON BEHALF OF
“Tips & Tricks House”. YOU WILL FIND ALL THE SOLUTIONS THAT ARE RELATED TO TECHNOLOGY.
YOU WILL ALSO HAVE “YOUTUBE TUTORIALS”.
ALONGSIDE THESE YOU WILL ALSO HAVE TUTORIALS ON HOW TO MAKE MONEY THROUGH ONLINE.
Subscribe My Channel “Tips & Tricks House” get notification for new upload.
লক্ষ্য করুন আমি চ্যানেল এবাউট লিখার শুরুতেই আমার নাম উল্লেখ করেছি। এটাই হচ্ছে মূল জিনিস। আপনার নাম টা
যদি আপনি এভাবে উল্লেখ করতে পারেন তাহলেই আপনার চ্যানেল শুরুতে আসবে।
পিসি হ্যাং কেন হয়? হ্যাং হলে করণীয় এর হাত থেকে বাচার উপায় কি?
আমি আজ আপনাদের কম্পিউটারের এমন হ্যাং সমস্যার সম্পর্কে আলোচনা করব যা আমরা কম্পিউটার ব্যবহারে প্রতিনিয়ত ফেস করে আসছি। আশা করছি কম্পিউটারের হ্যাং সমস্যা সমাধান করতে পুরো পোষ্টটি মনোযোগ সহকারে পড়ে নিবেন।
১। পিসি হ্যাং কি?
পিসির হ্যাং এমন একটি সমস্যা যা আপনার পিসির চলমান কার্য প্রকৃয়ার ব্যাঘাত ঘটায়।
এটি মূলত যখন হয়ে থাকে তখন পিসিতে চলমান কাজগুলো থেমে যায়। এক পর্যায়ে মনিটরে আমরা একটি মাত্র ছবি যা ক্যাপচার এর মত ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পাই। পিসি তখন কোন কমান্ড এর রেসপনস্ করেনা।
যদি পুনরায় আমরা পিসিকে কোন কমান্ড করি তখন দেখা যায় মনিটরে হালকা সাদা রং এর ফ্লাসের মতো দেখায়। এক পর্যায়ে পিসি তাকে কামন্ড কৃত সকল কাজগুলো করা বন্ধ করে দেয়। এভাবে চলতে থাকে। কখনো কিছু সময় পরে হ্যাং চলে যায়, আমরা তখন মনিটরে আমাদের সকল কমান্ড গুলোর রেজাল্ট দেখতে পাই।
আবার কখনো কখনো হ্যাং পিসিকে রিস্টার্ট দেওয়ার পূর্ব পর্যন্ত চলতে থাকে।
মোটকথা, হ্যাং হলো পিসির অস্বাভাবিক অবস্থা যা পিসির স্বাভাবিক অবস্থার বিপরীত চিত্র প্রদর্শন করে থাকে।
২। হ্যাং কেন হয়?
হ্যাং এমন একটি সমস্যা যা যেকোন মূহুর্তেই হতে পারে। বিশেষ করে যখন রেমের উপর ভীষন চাপ পরে ঠিক তখনি এটি হয়ে থাকে।
হ্যাং মূলত একাধিক প্রোগ্রাম রান করার কারণে হয়ে থাকে। যখন রেম তার নূন্যতম স্পেস দিয়ে সবগুলো প্রোগ্রাম কে কভারেজ দিতে পারেনা ঠিক তথনি রেম এর কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যাওয়ার ফলে পিসিতে হ্যাং এর সৃষ্টি হয়।
এছাড়া আরও বিভিন্ন কারনে পিসি হ্যাং হয়ে থাকে। যেমন- কম্পিউটারে ভাইরাস থাকার কারণে পিসি হ্যাং হয়। অথবা আপনি অনেকদিন যাবত পিসি ব্যাবহার করে চলেছেন কিন্তু কখনো পিসির আবর্জনা ফাইলসমূহ যেমন অপ্রয়োজনীয় ফাইল যেগুলো পিসি ব্যবহারের ধরুন সৃষ্টি হয়ে থাকে। সেগুলো কে নিয়মিত ক্লিন না করা(যেমন- Run অপশনে গিয়ে (tree, recent, prefetch ইত্যাদি ক্লিন করা)। এ কাজ গুলো অবশ্যই যে কোন পিসি ক্লিনার সফটওয়্যার দিয়ে করতে পারেন। আমি পরবর্তীতে এরকম একটি সফটওয়্যারের সিরিয়াল কী সহ আপনাদের সাথে শেয়ার করব।
পিসি হ্যাং হওয়ার আরেকটি অন্যতম কারন হলো নতুন ভাবে অপারেটিং সিস্টেম না দিয়ে পুরনো অপারেটিং সিস্টেম-এ বহুদিন যাবত ব্যবহার করা। সাধারনত প্রতি তিনমাস পর পর আপনাকে অন্তত একবার হলেও অপারেটিং সিস্টেম দিতে হবে। তবে সেটা মূলত আপনার ব্যবহারের উপর নির্ভর করে।
কেউ কেউ প্রতি মাসে একবার হলেও অপারেটিং সিস্টেম দিয়ে থাকে।
এছাড়াও আরো কিছু কারণ রয়েছে যেগুলো হল- আপনার পিসিতে ভারী সফটওয়্যার গুলোর ব্যবহার করা। অথবা আপনার পিসির কনফিগারেশনের চেয়েও হাই লেভেলের সফটওয়্যার ব্যবহার করা। পিসির Local disk মানে C ড্রাইভে পর্যাপ্ত পরিমান খালি না রাখা।
অপ্রয়োজনীয় সফটওয়্যার ইনস্টল দেয়া। পিসিতে এন্টিভাইরাস ব্যবহার না করা। পিসিকে একটি কমান্ড করে তার রেসপনস্ পাওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা না করে পুনরায় কমান্ড করা বা বার বার কমান্ড করা। একাধিক প্রোগ্রাম রান করে কাজ করা ইত্যাদি ইত্যাদি। বলতে গেলে হয়তো আরো অনেকগুলো কারন বলতে পারব। যাইহোক পরবর্তী প্রসঙ্গে আসা যাক।
৩। হ্যাং হলে করনীয় কি?
অনেকে আছেন যারা হ্যাং হওয়া মাত্র পিসিকে সাথে সাথে রিস্টার্ট করে দিন। এরূপ করা মোটেও ঠিক না। কেননা এর ফলে সিপিইউ এর যন্ত্রাংশের উপর ভীষন চাপ পড়ে মাঝে মাঝে এগুলো নষ্ট পর্যন্ত হয়ে যায়। বিশেষ করে প্রসেসর, রেম, হার্ডডিস্ক ইত্যাদি। সুতরাং এক্ষেত্রে সতর্ক থাকবেন।
হ্যাং এর সমস্যা টি সাথে সাথে দূর করার জন্য আপনি যা যা করতে পারেন তা হল-
প্রথমে আপনি Taskbar এ যান। তারপর মাউসের রাইট বাটনে ক্লিক করে Start task manager এ ক্লিক করুন।
অনেক সময় হ্যাং এর মাত্রা বেশী হলে মাউস অপশনস্ পর্যন্ত কাজ করেনা। তখন Start task manager অপশনস্ টি আনার জন্য কিবোর্ড থেকে পর্যায়ক্রমে Ctrl, Alt, Del একসাথে চাপুন। তারপর Windows task manager অপশনস্ টি মনিটরে দেখতে পাবেন।
এবার সেখান থেকে Application ট্যাব টি সিলেক্ট করুন। (ডিফল্টভাবে Application ট্যাব টি সিলেক্ট করা থাকে। যদি না থাকে তাহলে এভাবে সিলেক্ট করে নিবেন।)
তারপর Task এ আপনার প্রোগ্রাম গুলোকে এবং status এ প্রোগ্রাম গুলো কি অবস্থায় আছে দেখতে পাবেন। যেমন হ্যাং অবস্থায় না থাকলে প্রোগ্রাম টির status এ Running লিখাটি দেখাবে।
আপনি সেখান থেকে আপনার যে প্রোগ্রাম টি হ্যাং হয়ে আছে সে প্র্র্রোগ্রাম টির উপর ক্লিক করুন। উল্লেখ্য যে, হ্যাং হওয়া প্রোগ্রাম টির status এ আপনি Not Responding লিখাটি দেখতে পাবেন।
এবার নিচে গিয়ে প্রথমে থাকা End Task লিখাটিতে ক্লিক করুন। কিছুক্ষনের মধ্যে আপনার সামনে একটি নাটিফিকেশন আসবে। আপনি সেখান থেকে End Now লিখাটি তে ক্লিক করুন। ব্যাস হ্যাং চলে যাবে। যদি না যায় তাহলে এভাবে কয়েকবার করতে থাকুন।
৪। হ্যাং এর হাত থেকে বাচার উপায়?
হ্যাং যেসব কারণে হয়ে থাকে সেই কারণ গুলো নজরে রাখলে আপনি হ্যাং এর হাত থেকে সহজেই বাচতে পারবেন। যে কারণ গুলো আমি ২ নম্বর ধাপটিতে বর্ণনা করেছি সেগুলো।
যাইহোক, আপনাদেরকে বিষয়টি আরো সহজ করে দেওয়া যাক।
আপনার লোকাল ডিস্ক সি ড্রাইভে অন্তত ৮ জিবির উপরে খালি রাখুন। অপ্রয়োজনীয় সফটওয়্যার ইনস্টল দেয়া থেকে বিরত থাকুন।
ভারী সফটওয়্যার গুলোর কাজ যখন করবেন তখন তা ইনস্টল দিবেন এবং কাজ শেষে তা আবার আনইনস্টল বা রিমোভ করে দিবেন।
একসাথে একাধিক প্রোগ্রাম ব্যবহার করবেন না। পিসিকে সবসময় ক্লিন রাখুন। পিসি ক্লিন রাখার জন্য যেকোন ক্লিনার সফটওয়্যার ব্যাবহার করতে পারেন।
একটি নির্দিষ্ট সময় ব্যবহার করার পর আপনার পিসিকে একবার রিস্টার্ট দিয়ে নিন। বিশেষ করে প্রতি ২-৩ ঘন্টা পর পর।
প্রয়োজনে রেম ক্লিনার এবং রেম অপটিমাইজার সফটওয়্যার ব্যবহার করতে পারেন।
ইন্টারনেট ব্যবহার কারিরা ফায়ারওয়াল ব্যবহার করতে পারেন। এছাড়া একটি আপডেট করা এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার করতে পারেন।
প্রতি তিনমাস অন্তর অন্তর একবার হলেও উইন্ডোজ সেটআপ মানে অপারেটিং সিস্টেম পিসিতে দিয়ে নিন।
সর্বোপরি, পিসিকে যখন কোন কমান্ড করবেন উক্ত কমান্ড এর জন্য কিছুটা সময় অপেক্ষা করুন। যদি রেসপনস্ না পান তারপর পুনরায় কমান্ড করুন। কিন্তু একসাথে অথবা একই সময়ে বার বার কমান্ড করবেন না। কেননা অতিরিক্ত কমান্ড হ্যাং হওয়ার মূল কারণ হিসেবে গন্য করা হয়।
পিসি হ্যাং কেন হয়? হ্যাং হলে করণীয় এর হাত থেকে বাচার উপায় কি?
আমি আজ আপনাদের কম্পিউটারের এমন হ্যাং সমস্যার সম্পর্কে আলোচনা করব যা আমরা কম্পিউটার ব্যবহারে প্রতিনিয়ত ফেস করে আসছি। আশা করছি কম্পিউটারের হ্যাং সমস্যা সমাধান করতে পুরো পোষ্টটি মনোযোগ সহকারে পড়ে নিবেন।
১। পিসি হ্যাং কি?
পিসির হ্যাং এমন একটি সমস্যা যা আপনার পিসির চলমান কার্য প্রকৃয়ার ব্যাঘাত ঘটায়।
এটি মূলত যখন হয়ে থাকে তখন পিসিতে চলমান কাজগুলো থেমে যায়। এক পর্যায়ে মনিটরে আমরা একটি মাত্র ছবি যা ক্যাপচার এর মত ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পাই। পিসি তখন কোন কমান্ড এর রেসপনস্ করেনা।
যদি পুনরায় আমরা পিসিকে কোন কমান্ড করি তখন দেখা যায় মনিটরে হালকা সাদা রং এর ফ্লাসের মতো দেখায়। এক পর্যায়ে পিসি তাকে কামন্ড কৃত সকল কাজগুলো করা বন্ধ করে দেয়। এভাবে চলতে থাকে। কখনো কিছু সময় পরে হ্যাং চলে যায়, আমরা তখন মনিটরে আমাদের সকল কমান্ড গুলোর রেজাল্ট দেখতে পাই।
আবার কখনো কখনো হ্যাং পিসিকে রিস্টার্ট দেওয়ার পূর্ব পর্যন্ত চলতে থাকে।
মোটকথা, হ্যাং হলো পিসির অস্বাভাবিক অবস্থা যা পিসির স্বাভাবিক অবস্থার বিপরীত চিত্র প্রদর্শন করে থাকে।
২। হ্যাং কেন হয়?
হ্যাং এমন একটি সমস্যা যা যেকোন মূহুর্তেই হতে পারে। বিশেষ করে যখন রেমের উপর ভীষন চাপ পরে ঠিক তখনি এটি হয়ে থাকে।
হ্যাং মূলত একাধিক প্রোগ্রাম রান করার কারণে হয়ে থাকে। যখন রেম তার নূন্যতম স্পেস দিয়ে সবগুলো প্রোগ্রাম কে কভারেজ দিতে পারেনা ঠিক তথনি রেম এর কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যাওয়ার ফলে পিসিতে হ্যাং এর সৃষ্টি হয়।
এছাড়া আরও বিভিন্ন কারনে পিসি হ্যাং হয়ে থাকে। যেমন- কম্পিউটারে ভাইরাস থাকার কারণে পিসি হ্যাং হয়। অথবা আপনি অনেকদিন যাবত পিসি ব্যাবহার করে চলেছেন কিন্তু কখনো পিসির আবর্জনা ফাইলসমূহ যেমন অপ্রয়োজনীয় ফাইল যেগুলো পিসি ব্যবহারের ধরুন সৃষ্টি হয়ে থাকে। সেগুলো কে নিয়মিত ক্লিন না করা(যেমন- Run অপশনে গিয়ে (tree, recent, prefetch ইত্যাদি ক্লিন করা)। এ কাজ গুলো অবশ্যই যে কোন পিসি ক্লিনার সফটওয়্যার দিয়ে করতে পারেন। আমি পরবর্তীতে এরকম একটি সফটওয়্যারের সিরিয়াল কী সহ আপনাদের সাথে শেয়ার করব।
পিসি হ্যাং হওয়ার আরেকটি অন্যতম কারন হলো নতুন ভাবে অপারেটিং সিস্টেম না দিয়ে পুরনো অপারেটিং সিস্টেম-এ বহুদিন যাবত ব্যবহার করা। সাধারনত প্রতি তিনমাস পর পর আপনাকে অন্তত একবার হলেও অপারেটিং সিস্টেম দিতে হবে। তবে সেটা মূলত আপনার ব্যবহারের উপর নির্ভর করে।
কেউ কেউ প্রতি মাসে একবার হলেও অপারেটিং সিস্টেম দিয়ে থাকে।
এছাড়াও আরো কিছু কারণ রয়েছে যেগুলো হল- আপনার পিসিতে ভারী সফটওয়্যার গুলোর ব্যবহার করা। অথবা আপনার পিসির কনফিগারেশনের চেয়েও হাই লেভেলের সফটওয়্যার ব্যবহার করা। পিসির Local disk মানে C ড্রাইভে পর্যাপ্ত পরিমান খালি না রাখা।
অপ্রয়োজনীয় সফটওয়্যার ইনস্টল দেয়া। পিসিতে এন্টিভাইরাস ব্যবহার না করা। পিসিকে একটি কমান্ড করে তার রেসপনস্ পাওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা না করে পুনরায় কমান্ড করা বা বার বার কমান্ড করা। একাধিক প্রোগ্রাম রান করে কাজ করা ইত্যাদি ইত্যাদি। বলতে গেলে হয়তো আরো অনেকগুলো কারন বলতে পারব। যাইহোক পরবর্তী প্রসঙ্গে আসা যাক।
৩। হ্যাং হলে করনীয় কি?
অনেকে আছেন যারা হ্যাং হওয়া মাত্র পিসিকে সাথে সাথে রিস্টার্ট করে দিন। এরূপ করা মোটেও ঠিক না। কেননা এর ফলে সিপিইউ এর যন্ত্রাংশের উপর ভীষন চাপ পড়ে মাঝে মাঝে এগুলো নষ্ট পর্যন্ত হয়ে যায়। বিশেষ করে প্রসেসর, রেম, হার্ডডিস্ক ইত্যাদি। সুতরাং এক্ষেত্রে সতর্ক থাকবেন।
হ্যাং এর সমস্যা টি সাথে সাথে দূর করার জন্য আপনি যা যা করতে পারেন তা হল-
প্রথমে আপনি Taskbar এ যান। তারপর মাউসের রাইট বাটনে ক্লিক করে Start task manager এ ক্লিক করুন।
অনেক সময় হ্যাং এর মাত্রা বেশী হলে মাউস অপশনস্ পর্যন্ত কাজ করেনা। তখন Start task manager অপশনস্ টি আনার জন্য কিবোর্ড থেকে পর্যায়ক্রমে Ctrl, Alt, Del একসাথে চাপুন। তারপর Windows task manager অপশনস্ টি মনিটরে দেখতে পাবেন।
এবার সেখান থেকে Application ট্যাব টি সিলেক্ট করুন। (ডিফল্টভাবে Application ট্যাব টি সিলেক্ট করা থাকে। যদি না থাকে তাহলে এভাবে সিলেক্ট করে নিবেন।)
তারপর Task এ আপনার প্রোগ্রাম গুলোকে এবং status এ প্রোগ্রাম গুলো কি অবস্থায় আছে দেখতে পাবেন। যেমন হ্যাং অবস্থায় না থাকলে প্রোগ্রাম টির status এ Running লিখাটি দেখাবে।
আপনি সেখান থেকে আপনার যে প্রোগ্রাম টি হ্যাং হয়ে আছে সে প্র্র্রোগ্রাম টির উপর ক্লিক করুন। উল্লেখ্য যে, হ্যাং হওয়া প্রোগ্রাম টির status এ আপনি Not Responding লিখাটি দেখতে পাবেন।
এবার নিচে গিয়ে প্রথমে থাকা End Task লিখাটিতে ক্লিক করুন। কিছুক্ষনের মধ্যে আপনার সামনে একটি নাটিফিকেশন আসবে। আপনি সেখান থেকে End Now লিখাটি তে ক্লিক করুন। ব্যাস হ্যাং চলে যাবে। যদি না যায় তাহলে এভাবে কয়েকবার করতে থাকুন।
৪। হ্যাং এর হাত থেকে বাচার উপায়?
হ্যাং যেসব কারণে হয়ে থাকে সেই কারণ গুলো নজরে রাখলে আপনি হ্যাং এর হাত থেকে সহজেই বাচতে পারবেন। যে কারণ গুলো আমি ২ নম্বর ধাপটিতে বর্ণনা করেছি সেগুলো।
যাইহোক, আপনাদেরকে বিষয়টি আরো সহজ করে দেওয়া যাক।
আপনার লোকাল ডিস্ক সি ড্রাইভে অন্তত ৮ জিবির উপরে খালি রাখুন। অপ্রয়োজনীয় সফটওয়্যার ইনস্টল দেয়া থেকে বিরত থাকুন।
ভারী সফটওয়্যার গুলোর কাজ যখন করবেন তখন তা ইনস্টল দিবেন এবং কাজ শেষে তা আবার আনইনস্টল বা রিমোভ করে দিবেন।
একসাথে একাধিক প্রোগ্রাম ব্যবহার করবেন না। পিসিকে সবসময় ক্লিন রাখুন। পিসি ক্লিন রাখার জন্য যেকোন ক্লিনার সফটওয়্যার ব্যাবহার করতে পারেন।
একটি নির্দিষ্ট সময় ব্যবহার করার পর আপনার পিসিকে একবার রিস্টার্ট দিয়ে নিন। বিশেষ করে প্রতি ২-৩ ঘন্টা পর পর।
প্রয়োজনে রেম ক্লিনার এবং রেম অপটিমাইজার সফটওয়্যার ব্যবহার করতে পারেন।
ইন্টারনেট ব্যবহার কারিরা ফায়ারওয়াল ব্যবহার করতে পারেন। এছাড়া একটি আপডেট করা এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার করতে পারেন।
প্রতি তিনমাস অন্তর অন্তর একবার হলেও উইন্ডোজ সেটআপ মানে অপারেটিং সিস্টেম পিসিতে দিয়ে নিন।
সর্বোপরি, পিসিকে যখন কোন কমান্ড করবেন উক্ত কমান্ড এর জন্য কিছুটা সময় অপেক্ষা করুন। যদি রেসপনস্ না পান তারপর পুনরায় কমান্ড করুন। কিন্তু একসাথে অথবা একই সময়ে বার বার কমান্ড করবেন না। কেননা অতিরিক্ত কমান্ড হ্যাং হওয়ার মূল কারণ হিসেবে গন্য করা হয়।
অনলাইনে আয় করার ২৫ টি জনপ্রিয় উপায়।
আপনি বেছে নিন কোন উপায়ে কাজ করবেন।
অনলাইনে আয় করা কোনো স্বপ্ন নয়। দেশের অধিকাংশ মানুষই এখন অনলাইনের মাধ্যমে তাদের আয়কে দিগুন করে তুলছে। আপনিও পারবেন।
অনলাইন আয় শুরু করার আগে বেছে নিন আপনি কোন ক্যাটাগরির উপর কাজ করবেন।
অনলাইনে আয় বিষয়ক বিভিন্ন গুরত্বপুর্ণ উপায়ঃ
১. একটি ব্লগ বা ওয়েবসাইট তৈরী করুন এবং অ্যাডভার্টাইজিং নেটওয়ার্ক যেমন গুগল অ্যাডসেন্স বা ক্রয়বিক্রয়(buysell) অ্যাড এর মাধ্যমে আয় করতে পারেন। আপনি চাইল গুগল ডাবলক্লিক এর মাধ্যমেও সরাসরি আয় করতে পারেন। অনেকের কাছেই অ্যাডসেন্স অ্যপ্রুভ করা ঝামেলার বিষয়। কিভাবে অ্যাডসেন্স অ্যাপ্রুভ করবেন প্রয়োজনীয় নিদের্শাবলী দেখুন অ্যাডসেন্স নিদের্শনা
২.মেইলচিম্পের মাধ্যমে ইমেইল নিউসলেটার সেল করে আয় করতে পারেন। স্পন্সর বা সাবস্ক্রাইবার খুজে বের করতে হবে । যেখানে ভিজিটররা নিউসলেটার পাওয়ার জন্য টাকা দিয়ে সাবস্ক্রাইব করবে। HackerNewletter, NowIKnow এবং Launch.co এই ধরনের কাজের ভাল উদাহরণ হতে পারে।
৩. নিজের ইউটিউব চ্যানেল খুলুন এবং ইউটিউবের পার্টনার হয়ে যান। আপনি Oneload সাইটটি ব্যবহার করে আপনার ভিডিওটি অনেক সাইটে ছড়িয়ে দিতে পারেন।
৪. সৃজনশীল কিছু তৈরী করুন যেমন হ্যান্ডবেগ জুয়েলারি পেইন্টিং বা কুটিরশিল্প ইত্যাদি এবং তা বিক্রয় করতে পারেন ইটসি , আর্টফায়ার বা ই-বে তে বিক্রয় করতে পারেন।
৫.টি-শার্টের ডিজাইন করুন এবং www.threadless.com , জাজে বা ক্যাফেপ্রেস এ রাখুন। আর বিক্রয় করুন।
৬.নিজের অনলাইন স্টোর তৈরী করুন তা নিজস্ব ডোমেইন বা সপিফাই (shopify),স্কয়ার (লিংক: http://www.squarespace.com )স্পেস এ হতে পারে। যেকোন বস্তু খাবার থেকে শুরু করে ডিজিটাল পণ্য সবই সেল করতে পারেন।
৭.যে কোন বিষয়ের উপর বই লিখুন। তা কিন্ডেল স্টোর , গুগল, বা আইবুক এ প্রকাশ করুন। আপনি চাইলে ই বুক হিসাবে অন্য রিটেইলার দের কাছে ও বিক্রয় করতে পারেন। অন্য রিটেইলার বিক্রয়ের জন্য স্মাশউড ( Smashwoods )বা বুকবেবি (BookBaby) ব্যবহার করতে পারেন।
৮. ইউডেমি Udemy বা স্কিল শেয়ারের SkillShare শিক্ষক হিসাবে যোগদান করুন আপনার প্রিয় বিষয় নিয়ে টিউটোরিয়াল তৈরী করুন। গিটার থেকে শুরু করে সাহিত্য ইয়োগা থেকে বিদেশী ভাষা যেকোন কিছু আপনি আন্তর্জাতিকভাবে শেখাতে পারেন।
৯. কোডিং শিখুন । গুরু Guru , ই-ল্যান্স eLance , আপওয়ার্ক , বি-ল্যান্সার এর মত মার্কেট প্লেস এ সফট্ওয়ার ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্টে কাজ করুন।
১০. ভার্চুয়াল অফিস অ্যাসিস্টেন্ট হিসাবে প্রশাসনিক বা টেকনিক্যাল কাজে দুরবর্তী সহায়তা করতে পারেন। এক্ষেত্রে ই-ল্যান্স, টাস্কর্যাবিট TaskRabbit বা আপওয়ার্ক এ প্রচুর কাজ পাবেন।
১১.স্ক্রিপ্ট রাইটার হিসাবে যেমন কোন ব্রাউজার এর এক্সটেনশন প্লাগিন,মোবাইল অ্যাপস (অ্যান্ড্রয়েড বা আইফোন) তৈরী করে আয় করুন । এক্ষেত্রে কোডকেনিওন
CodeCanyon , চুপা Chupa বা বিনপ্রেস BinPress এ আপনার কোডটি বিক্রয় করে আয় করতে পারেন।
১২. খুব সাধারণ কম্পিউটার জব যেমন ডাটা এন্ট্রি জব, ট্রান্সক্রাবিং কিংবা ভিজিটিং কার্ড তৈরী করে আয় করতে পারেন। এজন্য মেকানিক্যাল টার্ক Mechanical Turk ব্যবহার করতে পারেন।
১৩. সৃজনশীল কাজ যেমন লোগো ডিজাইন,ব্যানার ডিজাইন,ওয়েব ডিজাইন অন্যান্য মার্কেটিং এর উপাদানগুলো তৈরী করে অনলাইনে আয় করা সম্ভব। এক্ষেত্রে ৯৯ডিজাইন
99Designs , ক্রাউডস্প্রিং CrowdSpring , ডিজাইনক্রাউডের
DesignCrowd মত সাইটগুলো থেকে আয় করা যায়।
১৪. আপনার কি ভাল কন্ঠ আছে। আপনার যদি ইংরেজীতে জড়তা না থেকে থাকে তবে উমানো, ভয়েসবানী
VoiceBunny , ভয়েস১২৩ Voice123 ভয়েস আর্টিষ্ট হিসাবে কাজ করে আয় করতে পারেন।
১৫.অনেকেই আছেন যারা ভাল গান করেন। আপনি যদি ভাল গান করে থাকেন অ্যামাজন এমপিথ্রি, আইটিউন , প্যান্ডোরা,স্পটিফাই এর গান গুলো বিক্রয় করতে পারেন। এজন্য ডিস্ট্রোকিড DistroKid , টিউনকোর Tunecore , লাউডার এফএম loudr.fm বা সিডিবেবির
CDBaby সাহায্য নিতে পারেন। আপনি চাইলে সরাসরি আপনার অডিও ফাইল গুলো অডিও জংগল AudioJungle , পন্ড৫ Pond5 বিক্রয় করতে পারেন।
১৬. অ্যামাজন Amazon বা অন্যান্য অনলাইন স্টোরের অ্যাফিলিয়েটর হিসাবে অনেক ভাল আয় করা সম্ভব। এক্ষেত্রে ভিজিলিংক Vigilink , শেয়ারএসেল ShareASale, কমিশন জাংশন CJ বা লিংক শেয়ার LinkShare এর মত সাইটগুলো অনেকভাল কাজ করে।
১৭. অনলাইনে টিউশন এর মাধ্যমে আয় করা সম্ভব। যেখানে অনলাইনে ক্লাস নেওয়া,ছাত্রছাত্রীদের সাহায্য করার কাজ পাওয়া যায়।টিউটর ডট কম Tutor.com , ইন্টাএডু InstaEdu , টিউটোরিয়াল ভিসা
TutorVista এর মত সাইটে খুব সহজেই অনলাইন শিক্ষক হওয়ার আবেদন করে অনলাইনে টিউশন করতে পারেন।
১৮. বিদেশীদের জন্য বাসা ভাড়া দিয়েও আয় করা যায়। আপনার ঘরে যদি খালি জায়গা থাকে তাহলে আপনার কি কি জিনিসপত্র আছে আজই লিষ্ট তৈরী করে ফেলুন। এয়ারবিএনবি
Airbnb কুসসার্ফিং
Couchsurfing আপনাকে সাহায্য্ করবে।
১৯.আপনি কি ফটোগ্রাফি করেন,আপনার ফটোগ্রাফি যদি ভাল হয় তবে ক্রিয়েটিভ মার্কেট Creative Market ,ফটোদুন
PhotoDune , আইস্টকফটো
iStockPhoto , ইমেজ এম্বেডেড
ImgEmbed এ আপনার তোলা ছবি গুলো বিক্রয় করতে পারেন।
২০. পুরোনো অব্যবহৃত জিনিসপত্র,শিশুদের খেলনা, দুর্লভ বই বা অতি প্রাচীন বা শখের বস্তুগুলো খুব সহজে বিক্রয় করতে পারেন ইবে, ক্রেগলিষ্ট,বিক্রয় ডট কম, কিংবা সেলবাজার এর মত সাইটে বিক্রয় করতে পারেন।
২১. আপনি একজন ওয়েবসাইট ব্যবহার কারী হিসাবেও আয় করতে পারেন। যে কোন ওয়েবসাইট টেষ্ট করুন, সুন্দর রিভিউ লিখুন একজন ব্যবহারকারী হিসাবে সাইটের সুবিধা অসুবিধাগুলো লিখে আয় করুন। ইউজারটেস্টার
UserTesting সাহটের সাহায্যে আয করুন।
২২.আপনি হয়ত বিভিন্ন সময় আপনার বন্ধু বান্ধবদের টেকনোলজির বিভিন্ন বিষয় নিয়ে সাহায্য করেছেন। তাহলে অনলাইনে কেন নয় ? স্কাইপে স্ক্রিন শেয়ার, বা গুগল ক্রোমের দুরবর্তী স্ক্রিন শেয়ারের মাধ্যমে টেকনোলোজি সাপোর্ট দিয়ে খুব সহজে আয় করতে পারেন।
২৩.ফিভার Fiverr ও পিপলস পার আওয়ার PeoplePerHour এ অ্যাকাউন্ট করুন । এখানে সারা বিশ্বের অনেক বায়াররা বিভিন্ন ধরনের কাজ দিয়ে থাকে। এখানে অনুবাদের কাজ থেকে শুরু করে গ্রাফিক্স ডিজাইন এসইও এবং অন্যান্য কাজ পাওয়া যায়।
২৪.আপনি আপনার ওয়েবসাইট পুন বিক্রয় করেও আয় করতে পারেন। ফ্লিপপা Flippa , গো-ড্যাডি অকশন GoDaddy Auctions , সিডো Sedo ইত্যাদি সাইটে আপনি আপনার ওয়েবসাইট পুনরায় বিক্রয় করতে পারেন ।
২৫. সর্বশেষ আপনি অনলাইন ব্যতীত অফলাইনে যেসকল ব্যবসার কথা চিন্তা করতে পারেন সবই অনলাইনে প্রয়োগ করা সম্ভব।