প্রতিনিয়ত ই-মেইল চালাচালির সময় লেখার
সঙ্গে ছবি ও নথি যুক্ত করা হয়। দিনদিন ই-
মেইলের আদান-প্রদান বেড়েই চলছে। কিন্তু
গুগলে এ জন্য পাওয়া যায় ১৫ গিগাবাইট
জায়গা। প্রতিদিনের জমা হওয়া ই-মেইল, নথি
ও ছবির কারণে হয়তো অনেকখানি জায়গাই
(স্টোরেজ) ব্যবহার করা হয়ে গেছে। বাকি
জায়গাটা শেষ হলেই পড়তে হবে বিপত্তিতে।
তবে কিছু বিষয় জানা থাকলে এবং একটু
সচেতনভাবে ব্যবহার করলে সহজেই বিপত্তি
এড়ানো যাবে এবং মূল্যবান ই-মেইল কিংবা
নথিটি হারাতে হবে না।
কোনো কারণে নির্ধারিত ১৫ গিগাবাইট শেষ
হয়ে গেলে যেসব সমস্যায় পড়তে হবে:
* গুগল ড্রাইভে কোনো ফাইল রাখা যাবে না
* ছবির মূল ফাইল আপলোড করা যাবে না
* কেউ ই-মেইল পাঠালে তা প্রেরকের কাছে
ফেরত যাবে
এখানে জেনে রাখা ভালো, গুগল ড্রাইভ বা
ডকস ব্যবহার করে কোনো নথি তৈরি করলে
তার জন্য কোনো অতিরিক্ত জায়গা খরচ হবে
না। শুধু ড্রাইভে আপলোড করা নথির ক্ষেত্রে
জায়গার প্রয়োজন হবে। গুগল ফটোর ক্ষেত্রে
সংকুচিত (কম্প্রেসড) অবস্থায় ছবি রাখলে
তার জন্য কোনো জায়গা প্রয়োজন হয় না। এ
জন্য গুগল ফটোজে গিয়ে সেটিংস অপশন
থেকে হাই-কোয়ালিটি নির্ধারণ করতে হবে।
কিন্তু মূল আকারে ছবি রাখলে সে জন্য
জায়গা খরচ হবে।
ই-মেইলের বেলায় ইনবক্স ও সেন্ট মেইল,
ট্র্যাশ ও স্প্যামের টেক্সট ও সংযুক্তি
(অ্যাটাচমেন্ট) সবকিছুতেই জায়গার
প্রয়োজন হয়। এ ক্ষেত্রে কিছু বিষয় লক্ষ
রাখলে জায়গা বাঁচানো যাবে:
* অপ্রয়োজনীয় কিন্তু বেশি জায়গা নিয়েছে
এ ধরনের ই-মেইল কিছুদিন পরপর মুছে ফেলুন
* একই নথি একাধিক ই-মেইল পাঠানোর
ক্ষেত্রে প্রতিবার নতুনভাবে যুক্ত না করে
ফরওয়ার্ড করুন
* ই-মেইলের বড় কোনো ফাইল এলে তা
আপনার কম্পিউটারে সংরক্ষণ করে ই-
মেইলটি মুছে ফেলতে পারেন
এরপরও যদি বেশি জায়গা লাগে, তবে ৩০
টেরাবাইট পর্যন্ত স্টোরেজ কেনার সুযোগ
আছে গুগলে।
সূএ: প্রথম আলো।
বৃহস্পতিবার, ২২ ডিসেম্বর, ২০১৬
কীভাবে ব্যবহার করবেন গুগলের ১৫ গিগাবাইট
দেখে নিন আপনার ব্যবহৃত Memory Cardটি কোন Brand এর ও এটি তৈরির তারিখ।
আমরা মোটামুটি সবাই ই মেমোরি কার্ড use করি। কিন্তু আমরা Maximum user ই জানি না আসলে আমাদের মেমোরি কার্ডটি কোন brand এর?? কিংবা Memory Card টি Original or fake। আমরা Memory Card এর গায়ে যে Brand এর নাম লেখা দেখি আমরা সেটাকেই আমাদের memory card এর brand হিসেবে জানি। বাস্তবিক অর্থে কিন্তু তা না। memory card এর গায়ে অনেক নাম ই লেখা থাকে। আর আপনি যদি সেটাকেই আপনার Memory Card এর Brand হিসাবে জানেন তাহলে সেটা আপনার ভুল ধারণা ও দোকানির প্রতারণা। যেমন বাজারে Samsung Toshiba বলে যা বিক্রি করা হয়। সেগুলোর প্রায় 90% ই sand disk এর। তাই আজ আপনাদের সাথে একটি App Share করব। এই App টির সাহায্যে আপনার ব্যবহৃত Memory Card এর সকল তথ্য জানতে পারবেন।
*App Name:- SD Insight.apk
*size:- 838.8kb
*Download link:-
http://rashedbd27.tk/software/view/51316959
বিরক্তিকর Ads এর জ্বালা থেকে মুক্তি নিয়ে নিন আর আরামসে ইন্টারনেট ব্যাবহার করুন কোন Ad দেখাবে না(No root needed)(updated)
Adguard premium!!!আজকেই আপডেট হয়েছে সাথে mod ও করা হয়েছে তাই বাড়তি সুবিধা পাবেন। এখন থেকে আপনার ফোনের আর কোন এড দেখাবে না।নিশ্চিতে নেট ব্যাবহার করতে পারবেন।(last update 14 Dec 2016)
আপনি হয়ত এখন এই সমস্যায় পড়েন নি কিন্তু যে কোন সময় পড়ে যাবেন তাই নিজের সংগ্রহে রাখুন।
App name:Adguard premium
size:8mb
version:2.8.7i
আপনারা অনেকেই হয়ত এই সমস্যায় পড়েছেন ফোনের স্ক্রিনে অনেক রকম এড আসে যা খুব বিরক্তিকর। আবার অনেক সময় দেখা যায় নেট অন করলেই অটোমেটিক অনেক কিছু ডাউনলোড।
এই সব সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য রুট ইউজার দের অনেক পদ্ধতি আছে কিন্তু যারা রুট ইউজার না তারা কি করবে?তারা কি সারা জীবন এই সমস্যা নিয়ে থাকবে,কখনো না।মুক্তির পথ আমি বলে দিচ্ছি।
এটি খুব শক্তিশালী ad blocker যে কোন ধরনের এড ব্লক করতে সক্ষম।
আবার এর মধ্যে Firewall ও পাবেন ফলে আপনার অনুমতি ছাড়া কোন অ্যাপ আপনার ডাটা ব্যাবহার করতে পারবে না।
App টা ওপেন করে জাস্ট enable এ ক্লিক করবেন।
এটি প্রিমিয়াম ভার্সন মানে প্লে স্টোর থেকে ডাউনলোড করতে চাইলে আপনাকে ডলার খরচ করতে হবে।ফ্রি তে ডাউনলোড করে নিন।
Download link: Adguard-Premium-এখানে ক্লিক করুন
https://www.up-4ever.com/fj2fifqysk3c
[[N.B link এ গিয়ে Free download এ ক্লিক করবেন তারপর captcha coad টা দিয়ে creat Download link এ ক্লিক করবেন পরের পেজে App টা নাম দেখতে পাবেন ওটাই ক্লিক করলেই ডাউনলোড শুরু হয়ে যাবে]]
হ্যাকিং থেকে বাঁচার জন্য Phishing সম্পর্কে জানা প্রয়োজন
আজকে আমি Phishing নিয়ে আলোচনা করব। Phishing হল হ্যাক করার একটি পদ্ধতি, Phishing এ মাধ্যমে হ্যাকার ভিকটিমের একাউন্টের ইউজার নাম, পাসওয়াড, আইপি ইত্যাদি তথ্য চুরি করে থাকে। Phishing কিভাবে করা হয় ? হ্যাকার যে ওয়েবসাইটের একাউন্ট হ্যাক করতে চাই সেটির URL (Unitorm Resouce Locator) এর সঙ্গে মিল রেখে নকল একটি ওয়েবসাইট (Phishing site) তৈরী করে, ওয়েবসাইটি দেখতে প্রায় মেইন ওয়েবসাইটের মত । যেমন- ফেইসবুকের URL হল www.facebook.com বা m.facebook.com , হ্যাকার ফেইসবুকের URL সঙ্গে মিল রেখে www.facelook.com বা www.facebook.wapka.com, facebook.wapka.mobi এ রকমের একটি নকল ওয়েবসাইট তৈরী করে। হ্যাকার ভিকটিমকে নকল ওয়েবসাইটির (Phishing site) লিঙ্ক দিয়ে অনেক লোভনীয় কথা বলে। আমরা তার কথায় বিশ্বাস করে নকল ওয়েবসাইটিতে ইউজার নাম ও পাসওয়াড দিয়ে login করার চেষ্টা করি। ইউজার নাম ও পাসওয়াড দিয়ে login এ ক্লিক করার সাথে সাথে নকল ওয়েবসাইট হ্যাকার email এ আমাদের একাউন্টের তথ্য (user name, password, email, IP address) সেন্ট করে দেয়। হ্যাকার আমাদের user name, password, email দিয়ে login করে user name, password, email পরিবর্তন করে একাউন্ট তার নিয়ন্ত্রন নিয়ে নেয়। Phishing থেকে কিভাবে বাঁচবেন? ১. Phishing থেকে বাঁচার জন্য আজে বাজে বা অপ্রয়োজনীয় link এ ক্লিক করা থেকে বিরত থাকুন। ২. সোশ্যাল মিডিয়াতে লোভনীয় বা 18+ লিঙ্ক ক্লিক করা থেকে বিরত থাকুন। ৩. কোন ওয়েবসাইটে login করার আগে তার URL সর্ম্পেকে ভাল করে দেখে login করুন। ৪. যদি অন্যর দেওয়া link এ login করার প্রয়োজন হলে এই (scanurl.net) ওয়েবসাইটে যান এবং অন্যের দেওয়া লিঙ্কটি Phising সাইট কিনা scan করে দেখেনিন ।
হ্যাকিং থেকে বাচঁতে হলে পাসওয়ার্ড সম্পর্কে ভাল ভাবে জেনে নিন
অনলাইনের সিকিউরিটি সিস্টেম যে ভাবে কাজ করে
অনলাইনে একাউন্ট খুলার সময় বিভিন্ন তথ্য (ইমেইল, ইউজারনেইম, পাসওয়াড) দিয়া একাউন্টন খুলতে হয়, অনলাইনের সিকিউরিটি সিস্টেমে ঐ সকল তথ্য হোস্টিং সার্ভারে জমা করে এবং একাউন্টে লগইন করার সময় ঐ সকল তথ্য দিয়া লগইন করতে হয়। ঐ সকল তথ্য দিয়া লগইন বাটনে ক্লিক করার সাথে সাথে সিকিউরিটি সিস্টেম ঐ সকল তথ্য সার্ভারে আছে কিনা পরিক্ষা করে এবং ইনপুন কৃত তথ্য যদি সার্ভারে জমা কৃর্ত তথ্যের (একাউন্ট খুলার সময় যে তখ্য দিয়ে ছিলেন) সাথে মিলে যায় তবে সিকিউরিটি সিস্টেম একাউন্টের এক্সসেস দেবে মিল না হলে এক্সসেস দেবে না।
এখন জানা যাক হ্যাকার কিভাবে একাউন্টের তথ্য (ইমেইল, ইউজারনেইম, পাসওয়াড) চুরি করে
হ্যাকার অনেক পদ্ধতিতে পাসওয়াড হ্যাক করে থাকে তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য:
Social Engineering Attack বা Social Attack.
Phishing Attack.
Sniffing Attack.
Social Engineering Attack বা Social Attack কি ?
Social Engineering Attack বা Social Attack হল অনুমান করে হ্যাক করার চেষ্টা করা। যেমন এক জন হ্যাকার যদি আমার ফেইবুক আইডি হ্যাক করার জন্য Social Attack করে তাহলে ইমেইলের ঘরে আমার ফোন নাম্বার বা আমার ইমেইল দেবে পাসওয়াড হিসেবে shamolsingha, 123456 বা আমার ফোন নাম্বার দিয়ে লগইন করার চেষ্টা করবে।
Phishing Attack কি ?
Phishing Attack করা সহজ ও অনেক কার্যকর তাই হ্যাকারা Phishing Attack বেশি করে থাকে।
Sniffing Attack কি ?
Sniffing Attack সবচেয়ে মারাক্ত Attack এক জন হ্যাকার যদি আপনাকে সফল ভাবে Sniffing Attack করে তবে আপনার কম্পিউটার থেকে ইন্টারনেটে ব্যবহ্নত সকল তথ্য (ইমেইল, ইউজারনেইম, পাসওয়াড) হাতিয়ে নিতে পারে।
যে ভাবে Sniffing Attack করা হয়
আমাদের একাউন্টের তথ্য (ইমেইল, ইউজারনেইম, পাসওয়াড) দিয়া লগইন বাটনে ক্লিক করার সাথে সাথে তথ্য গুলো হোস্টিং সার্ভারে চলে যায়, তথ্য গুলো সার্ভারে পৈশানোর আগে হ্যাকার ঐ সব তথ্য কপি করে নিয়ে নেয়।
Sniffing Attack বন্ধ করার জন্য ভাল ভাল ওয়েব সাইট গুলো SSL (Secure Sockets Layer) ব্যবহার করে, SSL হল ইন্টারনেটে আমাদের ডাটাকে সিকিউর করে, SSL ব্যবহার করলে আমার তথ্য গুলো ইনক্রপ্ত ফরমে কনর্ভাট করে তথ্য অদান প্রদান করে। বোঝেন নাই ? একটি উদাহরণ দিলে ক্লিয়ার করতেছি
মনে করুন ফেইসবুকে (ফেইবুকে SSL ব্যবহার করের) আমার পাসওয়াড 1234567 দিয়ে লগইন বাটনে ক্লিক করলাম SSL সিস্টেম 1234567 ডাটাকে কনর্ভাট করে ইনক্রপ্ত ফরমে নিয়ে য়ায় যেমন, 1234567 ইনক্রপ্ত ফরম হল
20eabe5d64b0e216796e834f52d61fd0b70332fc । হ্যাকার যদি আমারকে Sniffing Attack করে তবে আমার পাসওয়াড হিসেবে
20eabe5d64b0e216796e834f52d61fd0b70332fc পাবে। হ্যাকার জানতে পারবেনা আমার পাসওয়াড কি।
দাড়ান কথা আছে, ভাল হ্যাকার ইনক্রপ্ত ফরম কে ডিক্রপ্ত করে আপনার পাসওয়াড বের করতে পারে।
যেভাবে শক্তিশালী পাসওয়াড তৈরী করবেন।
বড় বড় ইথিক্যার হ্যাকারা বলে বলেথাকেন
আপনার পাসওয়াড যত সম্ভব বড় করুন (৮ সংখ্যার কম নই)
আপনার পাসওয়াড যদি শুধু সংখ্য হলে হ্যাকার আপনার পাসওয়াডের ইনক্রপ্ত ফরমকে ডিক্রপ্ত করতে সময় লাগেবে ১০ মিনিট বা তারও কম।
আপনার পাসওয়াড যদি বড় হাতের অক্ষর বা ছোট হাতের অক্ষর + সংখ্য হলে হ্যাকার আপনার পাসওয়াডের ইনক্রপ্ত ফরমকে ডিক্রপ্ত করতে সময় লাগেবে প্রায় ১০ ঘন্টা।
আপনার পাসওয়াড যদি বড় হাতের অক্ষর + ছোট হাতের অক্ষর + সংখ্য হলে হ্যাকার আপনার পাসওয়াডের ইনক্রপ্ত ফরমকে ডিক্রপ্ত করতে সময় লাগেবে প্রায় ২৪ ঘন্টা।
আপনার পাসওয়াড যদি বড় হাতের অক্ষর + ছোট হাতের অক্ষর + সংখ্য+special symbols হলে হ্যাকার আপনার পাসওয়াডের ইনক্রপ্ত ফরমকে ডিক্রপ্ত করতে সময় লাগেবে প্রায় ১৮০০ (আঠারশ) বছর।
Special symbols হল ~!@#$%^&*()_+=-\’;:”/?.>,< আরো আছে মনে হয়।
তার মানে, পাসওয়াড আট সংখ্যা বা আরতাউ বেশি দিয়ে আট সংখ্যার ভিতরে বড় হাতের অক্ষর + ছোট হাতের অক্ষর + সংখ্য+special symbols দিয়ে পাসওয়াড তৈরী করলে হ্যাক হওয়ার সম্ভাবনা অনেক কম থাকে।
একটি ভাল পাসওয়াডের নমুনা M1@23#n45*67।
Backlink কি? কিভাবে Backlink করতে হয়
আজ আমি আপনাদেরকে সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশন এর অফ পেজ অপটিমাইজেশনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় “ব্যাকলিংক” নিয়ে আলোচনা করবো।জানবো ব্যাকলিংক কাকে বলে,কেন ব্যাকলিংক এর প্রয়োজন ও কিভাবে পাবেন আপনার সাইটের জন্য ব্যাকলিংক তো চলুন কথা না বাড়িয়ে শুরু করি আজকের টিউন.
ব্যাকলিংক কি
ব্যাকলিংক এর মানে হলো একটি সাইট থেকে আপনার সাইটের জন্য লিংক পাওয়া।মনে করুন আপনার একটি ওয়েব সাইট আছে এবং সেই সাইটের লিংকটি আপনি অন্য একটি সাইটে রাখলেন।তাহলে আপনি আপনার সাইটের জন্য একটি ব্যাকলিংক পাবেন সেই সাইট থেকে যেখানে আপনি আপনার সাইটের লিংক দিয়েছিলেন। আপনার সাইট যদি A হয় এবং আপনি যে সাইটে আপনার সাইটের লিংকটি দিবেন সেটি যদি B হয় তাহলে ব্যাকলিং হিসাবে বলতে গেলে আপনি B সাইট থেকে একটি ব্যাকলিংক পেলেন।এভাবে আপনি আপনার সাইটের লিংক যতগুলো সাইটে দিবেন আপনি ততো ব্যাকলিংক পাবেন।আর সার্চ ইন্জিন অপটিমাজেশন এ এটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হিসাবে ধরা হয়। অর্থ্যাৎ আমরা এক কথায় বলতে পারি যে’অন্য সাইট থেকে আমরা আমাদের নিজেদের সাইটে যে ইনকামিং লিংক পাই তাকে ব্যাকলিংক বলে”
কেন এই ব্যাকলিংক
ব্যাকলিংক এর কথা মনে পড়লেই আমার মনে পড়ে আমাদের দেশের বড় বড় নেতাদের কথা,কি অবাক হচ্ছেন আমার কথা শুনে?আমি ব্যাকলিংক এর প্রয়োজনীয়তার কথা বললেই সবাকেই এই নেতাদের সাথে তুলনা করতে বলি।কিভাবে? লোকবল সবচেয়ে বড় বল।মনে করুন আপনার অনেক টাকা পয়সা আছে কিন্তু কাজ করার জন্য কোন লোকেই আপনি পেলেন না তাহলে কি টাকা পয়সার কোন মুল্য আছে? না নেই।সেভাবেই একজন প্রভাবশালী নেতাও কিন্তু একা কোন মূল্য নেই।দেখবেন যে সে সবসময় চায় তার অনেক অনেক সাঙ্গ-পাঙ্গ ( লোকবল) থাকুক।কেননা লোকবল যত বেশি হবে তার ক্ষমতার প্রভাবও ততো বেশি হবে।ফলে সে সব জায়গায় সে তার প্রভাব আরো বেশি করে খাটাতে পারবে।কিংবা যখন সে কোন কাজ করতে যাবে তখন যদি তার পক্ষেই সবাই ভোট বা সম্মতি দেয় তাহলে তার কাজ ও গ্রহনযোগ্যতাও অনেকাংশে বাড়বে।অতএবে সে বনে যাবে একজন পাওয়ার ফুল ম্যান হিসাবে সার্চ ইন্জিন এর কাছে ব্যাকলিংক ও তেমনি।একটি সাইটের গুরুত্ব ও গ্রহনযোগ্যতা বাড়াতে ব্যাকলিংক বড়ানোর কোন বিকল্পই হয় না।এক একটি ব্যাকলিংক আপনার জন্য ভোট স্বরূপ।এর জন্য সার্চ ইন্জিন সবসময় খুজে বেড়ায় কোন সাইটের ব্যাকলিংক বেশি।কেননা আপনি ও হয়তো কখনো চাইবেন না একজন অযোগ্য প্রার্থীকে একটি গুরুত্বপূর্ণ আসনে বসাতে।এর জন্য সার্চ ইন্জিন ও তাদের প্রথম পেজটির জন্য বেশি গুরুত্ব দেয় ব্যাকলিংককে। আর গুগল এই গুরুত্বকে সবার সামনে প্রকাশ করার জন্যই ব্যাবস্থা রেখেছে PageRank এর।পেজরেংক এর মাধ্যেম গুগল প্রকাশ করে যে ওয়েবসাইটটির গুরুত্ব বা রেংক কতটুকু। অতএবে এ থেকে প্রমাণিত হয় যে আপনার পেজ রেংক বাড়ানোর জন্য ও সবচেয়ে দরকার ব্যাকলিংক বাড়ানো। আবার মনে করুন একজন মানুষের পিছনে ১০০ লোক আছে।এর মধ্যে ৬০ জনই হল অন্ধ,বোবা, খোড়া ইত্যাদি।তাহলে কি হলো? তার কি ১০০ জন মানুষের কাজ ঐ লোক গুলো দিয়ে করা সম্ভব?কখনোই না।কারণ ১০০ জন লোক থাকলে ও তাদের জোর ও ক্ষমতা ২০ পরিপূরণ মানুষের সমান।তাছাড়া কোন কম্পানীও কিন্তু এমন অযোগ্য প্রথীকে কোন বড় পদে নিয়োগ দেয় না। সার্চ ইন্জিন ও তার ব্যাতিক্রম নয়।আপনার হয়তো ১০০ টি ব্যাকলিংক আছে।কিন্তু আপনি যে পেজ থেকে আপনি ব্যাকলিংক পেয়েছেন সেগুলো যদি সার্চ ইন্জিনের কাছে কোন গুরুত্ব নাই থাকে তাহলে সেই ১০০টি ব্যাকলিং দিয়ে কোন লাভ নেই।সেগুলো হবে ভালো ভালো ২০টি ব্যাক লিংকের সমান।এমন আছে যে আপনার ১ টি PR 5-9 ব্যাকলিংকই পেজরেংক শূন্য ১০০টি ব্যাকলিংক এর সমান। তাই যেন তেন বা মূল্যহীন ব্যাকলিংক বাড়ানোর জন্য অযথা সময় নষ্ট করবেন না ।সময় দিন এমন ব্যাকলিংক পেতে যেখান থেকে আপনি নিশ্চিত সুফল পাবেন। যদিও একটু বেশি সময় বা কষ্ট হয় তার পর ও আপনি চেষ্টা করে যাবেন। আশা করি আপনারা সহজেই বুঝতে পারলেন যে ব্যাকলিংক কতটা গুরুত্বপূর্ণ।তাই সবসময় চেষ্টা করুন অন পেজ অপটিমাইজেশনের সাথে সাথে ব্যাকলিংক ও বড়ান সমান ভাব।প্রতেহ্য রুটিনের সাথে ২০-৩০ মিনিট বা তার ও বেশি সময় দিন শুধুমাত্র ব্যাকলিংক বাড়ানোর জন্য। সময় ভাগ করে কার করুন অনপেজ অপটমাজেশন ও অফপেজ অপটিমাইজেশন নিয়ে।সাফল্য আপনার হাতে আসবেই আসবে।
কিভাবে পাবেন ব্যাকলিংক
ইন্টারনেট এ পাওয়া যায় না এমন কিছুই নেই শুধুমাত্র হাত দিয়ে স্পর্শ করা ছাড়া।তাই আপনি আপনার ব্যাকলিংক ও খুজে পাবেন ইন্টারনেটেই।আসুন দেখে নেই কিভাবে কিভাবে আপনি ব্যাকলিংক পাবেন আপনার ওয়েব সাইটের জন্য১।আর্টিকেল এর মাধ্যমে২।ব্লগিং এর মাধ্যমে৩।অন্যের ব্লগে কমেন্ট করার মাধ্যমে৪।ফোরাম পোষ্টের মাধ্যমে৫।ফোরামে কমেন্ট করার মাধ্যমে৬।প্রেস রিলিজের মাধ্যমে।৭।ডাইরেক্টরিতে ওয়েব সাইট সাবমিট এর মাধ্যমে৮।লিংক এক্সচেন্জ এর মাধ্যমে৯।ওয়েব সাইটে এড দেয়ার মাধ্যমে১০।ব্যাকলিংক কেনার মাধ্যমে। (পেড ব্যাকলিংক) ইত্যাদি
কিভাবে Country Lock i Phone ব্যবহার করবেন
Phone নিয়ে সবাই একটু না একটু সমস্যায় পরে কেও আবার
প্রোগ্রাম কম বুজে, আজকে যেটা নিয়ে কথা বলব সেটা হল
Country Lock, অনেকের ই আত্মীয় ভিবিন্ন দেশ থেকে I
phone গিফট করে কিন্তু ফোন টা হাতে পাওয়ার পরে দেখা গেল
সব থিক আছে কিন্তু আমাদের দেশের কোন সিম চলছে না, মানি
ওই i Phone এর
সিম অপশন টা যেই দেশ থেকে পাঠানো হইয়েছে ওই
দেশেই সিমা বদ্ধ করা আছে ওটার সিম Factory Unlock না, তাই আজ
আমরা দেখবো কিভাবে Country Lock করা i phone ব্যবহার করা
যায়,আর আপনাদের কে জানাবো বলেই আমি ভিডিও টিউটোরিয়াল
তৈরি বানিয়েছি, আমার টিউন এ কোন ভুল হলে ক্ষমার দৃষ্টি তে
দেখবেন। আর অবশ্যই আপনার মতামত জানাবেন ধন্যবাদ
ভিডিও লিঙ্ক – I phone Sim Country Unlock
See Video From YouTube
https://m.youtube.com/watch?feature=youtu.be&v=5XNkpSlCnSU